অনলাইন শপ থেকে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য নায্যমূল্যে গত ২০ সেপ্টম্বর থেকে পেঁয়াজ বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও টিসিবি। এতে সহযোগিতা করেছে ই-কমার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রির শুরুতে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে যায় কেজীপ্রতি ২০ টাকা। শনিবার থেকে টিসিবি’র অনলাইন বিক্রির ক্ষেত্রে আরো একদফা দাম কমানো হয়েছে। অনলাইন শপগুলো এখন ৩৬ টাকা কেজী পরিবর্তে ২৩ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করছে এবং ৩ কেজীর পরিবর্তে জনপ্রতি যতকেজী প্রয়োজন কিনতে পারবে।
গত কয়েক সপ্তাহে দফায় দফায় পেঁয়াজের দাম কমেছে। শুরু শুধুমাত্র ঢাকায় ৮টি প্রতিষ্ঠান অনলাইনে পেয়াজ বিক্রি করলেও বর্তমানে যুক্ত হয়েছে আরো ১০টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের অনলাইন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ভবিষ্যতে পেঁয়াজের পাশাপাশি অনলাইনে টিসিবি’র অন্যান্য পণ্য বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। ই-ক্যাব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও টিসিবি একটি যৌথ নীতিমালার অধীনে নির্বাচিত অনলাইন গ্রোসারিশপগুলো বিধিমেনে সরকার নির্ধারিত দামে পেয়াজ বিক্রি করছে।
রোববার ই-ক্যাব জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম শোভেন জানান, বর্তমানে ১০ হাজার মেট্রিকটন পেয়াজ অনলাইন শপ থেকে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে আমদানীকৃত পেয়াজ পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে ই-কমার্সশপগুলো বাছাইকৃত সেরা পেঁয়াজ ক্রেতাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। ঘরে বসে পেঁয়াজ সাথে অন্যান্য মুদিপণ্য খুব সহজেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।
বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়াজ মিলবে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে
চালডাল,
স্বপ্ন,
মীনাক্লিক,
যাচাই,
সিন্দবাদ,
সবজিবাজার,
কিউকম,
মীম গ্রোসারি (চট্টগ্রাম), ই-ট্রাইক্যাচ (টাঙ্গাইল),
গ্রামীণফ্রেন্ডস (সিরাজগঞ্জ),
কেজিক্লিক ও
ফরমোসা ।
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ ও গাজীপুরে ডেলিভারী চার্জ ব্যতিত বাসায় পেয়াজ পৌঁছে দিচ্ছে যাচাই ডট কম। এছাড়া ডেলিভারী চার্জ নিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করছে চালডালসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।